Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
গর্ভাবস্থায় যে ৬ খাবার খেলে সন্তান ফর্সা হবে!

গর্ভাবস্থায় যে ৬ খাবার খেলে সন্তান ফর্সা হবে!

গবেষকরা বলছেন, মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই সন্তানের বর্ণ নির্ধারিত হয়। গায়ের বর্ণ ফর্সা হবে না কালো,



এর জন্য দায়ি ২-৩টি বিষয় –

১) বাবা-মায়ের জিন,

২) মেলানিন হরমোনের নিঃসরণ,

৩) জায়গা ও আবহাওয়া।

আরও একটি বিষয়কে তুলে ধরেছেন গবেষকরা। গর্ভবর্তী মায়ের খাদ্যাভাস। তিনি কী খাবার খাচ্ছেন, তার উপরও নাকি সন্তানের বর্ণ নির্ভর করে। আমাদের দেশে ফর্সা হওয়া একটা বড় গুণ (যদিও বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির এতে কোনও কৃতিত্বই নেই)।

তবুও ব্যক্তির দোষগুণ বিচারে, তাকে গ্রহণ করার ব্যাপারে চামড়ার রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটাই এ দেশের দস্তুর। ফলে ফেয়ারনেস ক্রিমের চাহিদা খুব। সানস্ক্রিন মেখে রোদে বেরনো, ডাল বাটা, দুধের সর মাখার খুব ধুম। কালো মেয়েকে বিয়ে করতে চায় না কেউ।
এমতবস্থায় কোনও শিশু যদি ফুটফুটে দুধে আলতা রং নিয়ে জন্মায়, এমনিতেই তার কদর বেড়ে যায়। তাই গর্ভাবস্থায় মাকে খেতে হবে এমন সব খাবার, যা শিশুর বর্ণ করবে দুধে আলতা। যেমন-

১. ত্বক ভালো করতে খেতে হবে কমলালেবু।

২. শিশুকে সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট রে থেকে বাঁচাতে হবু মাকে খাতে হবে টোম্যাটো।

৩. শিশুর ত্বক উজ্জ্বল করতে মাকে রোজ খেতে হবে চেরি ও বেরি ফল।

৪. গর্ভাবস্থার ৪,৫,৬ মাসে রোজ নিয়ম করে মা যদি ডিমের সাদা অংশ খান সন্তানের গৌরবর্ণ হবেই। কুসুমও খেতে পারেন, তাতেও মিলবে উপকার।

৫. গর্ভাবস্থার ৯ মাসই যদি কোনও মা নিয়ম করে দুধে জাফরান মিশিয়ে খান, সন্তান ফর্সা হবে।

৬. ঠাকুমা, দিদিমাদের মুখের শোনা কথা, গর্ভবতী মাকে যদি নারকেলের সাদা শাঁস নিয়ম করে খাওয়ানো হয়, তবে সন্তান নাকি খুব ফর্সা হয়। তবে অতিরিক্ত নারকেল না খাওয়াই ভালো। এতে ক্ষতি হতে পারে।
ব্রা (bra) পরবেন কোথায়?

ব্রা (bra) পরবেন কোথায়?


বক্ষবন্ধনী বা কাচুলি (ইউকে /ˈbræzɪər/ বা ইউএস /brəˈzɪər/), যা সাধারণত ব্রা /ˈbrɑː/ নামেই পরিচিত, হল নারীদের অন্তর্বাস যা তাদের স্তনযুগল সঠিক স্থানে রাখতে সহায়তা করে। বৈশিষ্ট্যসূচকভাবে ব্রা বিভিন্ন বৈচিত্রময়; শুধুমাত্র নারীরা তাদের স্তন সমর্থনের জন্যই নয়, ফ্যাশন পণ্য হিসেবেও তারা এর বিকাশ ঘটিয়েছে।



কিছু পোশাক, যেমন ক্যামিসোল, ট্যাংক টপ এবং পশ্চাতবিহীন পোশাকে সন্নিবেশিত স্তন সমর্থনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা আলাদা বক্ষবন্ধনী পরিধানের প্রয়োজনীয়তা লাঘব করে।



স্তন সমর্থনের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য ছাড়িয়ে সাংস্কৃতিক বিশেষ ইঙ্গিতপূর্ণ দিক থেকে বক্ষবন্ধনী নারীত্বের আইকন বা প্রতীক হয়ে ওঠে। কিছু নারীবাদী, নারীদেহের অবদমীত কামনা-বাসনার প্রতীক হিসেবেও বক্ষবন্ধনী বিবেচনা করেন।


আপনার স্তন জন্য উপযুক্ত স্থান হল আপনার এবং আপনার কাঁধ ছেঁড়াখোঁড়া মধ্যে মাঝপথে. এবং আপনার ব্রা স্তর সামনে ব্যাক করা উচিত. মহিলারা তাদের ব্রা ব্যান্ড উচ্চ torsos তাদের উপর খুব পরেন এবং তাদের পরিমাপ বিমুক্ত করা. “বেশীর ভাগ মহিলারাই পিঠ রাখা ঊর্ধ্বগামী [বৃদ্ধি তাদের ব্যান্ড আকার] পরিবর্তে একটি গভীর কাপ পেতে,” . “আমরা ফিরে চর্বিহীন এবং ছোট রাখতে চান যাতে আমরা আবক্ষ উত্তোলন করতে পারেন. [কাঁচুলি ব্যান্ড হয়] ভালো একটি সেতু-যদি সঠিকভাবে বেস এর নিবদ্ধ, তা উত্তোলন করতে পারেন.”


আপনার কাঁচুলি তার আকৃতি এবং সমর্থন রাখা জন্য অর্ডার ইন, সুসান বলেন যে আপনার সারা সপ্তাহ Bras পরিবর্তন করা উচিত. “আমি সবসময় বলে একটি ব্রা বাকি একটি দিন প্রয়োজন,” সে বলল. “আপনি একই কাঁচুলি একটি সারিতে দুই দিন, কারণ আপনি সমর্থন ইলাস্টিক খত্তয়া এবং এটি সংশ্লিষ্ট মেমরি খোঁজার প্রয়োজন নেই করব পরেন না থাকা উচিত.”



সুস্পষ্ট সংকেত সনাক্ত করুন আপনার ব্রা ভুল মাপ আছে:
যদি আপনার কাপ runneth তখন অনেক সময় এক কাপ আকার ওঠো.

যদি আপনার কাপ টোল, এটা সময় এক কাপ আকার নিচে যান.

আপনি যদি dreaded ফিরে চর্বি আছে, সম্ভবত আপনি কি মনে করেন আপনার ব্রা হয় খুব টাইট, কিন্তু আপনি ভুল-আপনার ব্রেসিয়ার অত্যন্ত বড়. আপনার আবার একটি ছোট ব্যান্ডের সঙ্গে আকার বক্ষবন্ধনী পরা নিম্ন সম্পূর্ণভাবে ফিরে চর্বি নিষ্কাশন করা হবে.
যদি আপনার চাবুক নিচে পড়ে, তার মানে ব্রা আপনার ব্যান্ড আপ রাইডিং হয় এবং আপনি সম্ভবত একটি ব্যান্ড আকার যান নিচে প্রয়োজন.
সম্পর্ক নষ্ট করে যে ২টি মাইন্ডসেট

সম্পর্ক নষ্ট করে যে ২টি মাইন্ডসেট

সম্পর্ক ভালো রাখা যেমন কঠিন তেমন সহয। কেউ কেউ অনায়াসেই করায়ত্বব করছেন সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়টি। ভালবাসার মানুষকে সারা জীবন ধরে রাখতে কে না চায়? সবাই চায়। জীবনের প্রতিটি মূহূর্তে আমরা চাই প্রিয় মানুষটি পাশে থাকুক। তার ঘনিষ্ঠতা অনুভব করতেই যেন শান্তি। জীবনে যত কষ্টই থাকুক না কেন ভালবসার মানুষের মুখ দেখলেই সব কষ্ট দূর হয়ে যায় আমাদের। কিন্তু আমাদের মাইন্ডসেটই হতে পারে আমাদের শত্রু। হয়ত আমরাই ক্ষতিগ্রস্থ করে চলেছি আমাদের সম্পর্ককে আর টেরও পাচ্ছি না।



ক্যারিয়ার
আমরা অনেকে ধরে নিই, সম্পর্ক মানেই ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করে ফেলা। জীবনে একজন সঠিক মানুষের আগমন আপনার ক্যারিয়ারকে ধ্বংস করবে না। করবে আরও সমৃদ্ধ। আপনি নারী হন বা পুরুষ আপনার সঙ্গী আপনার পাশে থাকবে। তবে হ্যাঁ, মানুষটি যদি সঠিক হয়!
আপনি হয়ত একজন সঠিক মানুষকেই জীবনে পেলেন। কিন্তু সারাক্ষণ আপনার মাইন্ডসেট আপনাকে সহজ হতে বাধা দিতে থাকলো! আপনি যখনই কোন কাজ করতে যান, যখনই কোন বাধা অনুভব করেন, কোন সমস্যা হয় আপনি মনে করেন সব সমস্যার মূলে রয়েছে আপনার সম্পর্ক। এই মাইন্ডসেট আপনাকে কখনো সান্তি দেবে না। বরং আপনি নিজেই সম্পর্ক এবং ক্যারিয়ার উভয়ের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন।

স্বাধীনতা
আমরা বিশেষ করে ছেলেরা মনে করি, সম্পর্ক মানেই হল জীবনে সব স্বাধীনতা শেষ। সম্পর্ক আমাদের কিছু যৌথ দায়িত্ব দেয়। কিন্তু এর মানে এই নয় যে আমরা আমাদের নিজেদের স্বাধীন জীবন যাপন করতে পারব না। আপনি আগে যেমন ছিলেন এখনও তেমনি সেই মানুষটিই আছেন। তাই এটা কোন সমস্যা নয়।

সম্পর্কের শুরুতে আবেগের ভেলায় ভেসে আমরা অনেক কিছু ছাড় দিতে থাকি। খেয়াল করি না এই ছাড় দেওয়া আমাদের ব্যক্তিত্বকে অন্যের কাছে অনেকটা নামিয়ে দেয়। তখন আমাদের সব কিছুই ভাল লাগে। সময়টা যখন পেরিয়ে যায়, আমরা যখন বাস্তবে ফিরে আসি তখন খেয়াল করি নিজের স্বাধীনতার ডোর অনেকটাই দিয়ে বসে আছি সামনের মানুষটার হাতে। সম্পর্কের শুরু থেকেই দায়িত্ববান হন। তবে খেয়াল রাখুন, এটা যেন আপনার মাইন্ডসেট হয়ে না দাঁড়ায়।
সমবয়সী কোন মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়!

সমবয়সী কোন মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়!

স্বামীর বয়স স্ত্রীর বয়সের দ্বিগুণ হওয়াটা বেশ কিছুদিন আগেও ছিল স্বাভাবিক বিষয়। সময়ের পরিবর্তনে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বয়সের কম ব্যবধানে বিয়ে করার প্রবণতা বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিয়ে মানে এখন শুধু সন্তানের জন্য নয়। জীবনের সর্বাঙ্গীন সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগিদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানীং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।


একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না।
কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।
অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ মহিলার কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত।
আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি। ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।
তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারনের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা।
এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।
একই বয়সে পুরুষটি তখন টাট্টু ঘোড়া। মধ্য-দুপুরে পুরুষটি তখন নিদারুণ অসহায়। দিশেহারা পুরুষের দাম্পত্য জীবনে প্রভাব। অশান্তিতে শুরু হয় ডিভোর্সের সম্ভাবনা। সমবয়সে বিয়ে করা মানে অশান্তিকে দাওয়াত দেয়া।
পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী
তৈলাক্ত ত্বকের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

তৈলাক্ত ত্বকের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

ত্বকের সমস্যার ভোগা বেশিরভাগ মানুষেরই তৈলাক্ত ত্বক। গরমের সময় এই সমস্যা বেড়ে যায়। শীতে সমস্যা কিছুটা কমলেও এ থেকে নিস্তার পাওয়ার খুব ভালো উপায় যে আছে সেটিও নিশ্চিত করে বলা যায় না।তৈলাক্ত ত্বকে একটু এদিক ওদিক হলেও দেখা যায় ব্রণসহ নানা জটিলতা। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তৈলাক্ত ত্বকে কী ব্যবহার করবেন এই নিয়ে অনেক দ্বিধা কাজ করে। তাই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সারা বছরই প্রাকৃতিক উপাদানই বেছে নেওয়া উচিৎ রুপচর্চা ও যত্নের প্রয়োজনে। এমন কিছু প্রাকৃতিক ওষুধের কথাই জেনে নিন আজ:


লেবু
সবসময় হাতের কাছে পাওয়া এই বস্তুটি তৈলাক্ত ত্বকে দারুণভাবে কার্যকর। দ্রুত ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূরীকরণে লেবু বেশ ভালো কাজ করে। তবে একেবারে সরাসরি ত্বকে লেবু ব্যবহার করা কখনোই উচিৎ নয়। এতে লেবুর সাইট্রিক এসিড ত্বকের ক্ষতি করতে পারে।

দুধ
আরেকটি দৈনিন্দন সহজলভ্য বস্তু হলো দুধ। তুলায় দুধ ভিজিয়ে নিয়ম করে প্রতিদিন দুইবার ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। এছাড়া দুধের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলে ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কমলা

শীতের এই সময়ে কমলা অনেক সহজলভ্য একটি ফল। কমলার রসে থাকা ভিটামিন সি ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ত্বকে হারানো সতেজ ভাব ফিরিয়ে আনতে কমলার রস মুখে লাগিয়ে দশ, পনের মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে তৈলাক্ত ভাবও অনেকটা কমে যাবে।

শসা ও দই

শসা ব্লেন্ড করে নিয়ে, তাতে দই মিশিয়ে নিন ভালোভাবে। এরপর মিনিট দশেক মুখে লাগিয়ে রাখুন। এটি তৈলাক্ত ত্বকে একইসাথে ক্লিনজার ও টোনার এর ভূমিকা পালন করবে।

গোলাপের পাপড়ি

এক কাপ গোলাপের পাপড়ি পরিমানমতো গোলাপজলে সেদ্ধ করে নিন। এরপর ভালোভাবে ছেকে নিয়ে তাতে অ্যালোভেরার নির্যাস মিশিয়ে নিন। এটি তৈলাক্ত ত্বকে ভালো ময়েশ্চারাইজার এর কাজ করবে।

নিম

তৈলাক্ত ত্বক খুব সহজেই জীবাণুর দ্বারা আক্রান্ত হয়। আর জীবাণু দূর করতে নিম অনেক ভালো একটি প্রতিষেধক। নিমপাতা সেদ্ধ করে নিয়ে এর নির্যাস পুরো মিখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ব্রন এর সমস্যায় অনেকটাই উপকার পাওয়া যাবে এতে।

চন্দন ও হলুদ

যুগ যুগ ধরেই সৌন্দর্য চর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে হলুদ ও চন্দন। চন্দন ও হলুদের গুড়া একসাথে লেবুর রসের সাহায্যে মিশিয়ে নিন। এরপর এরপর প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখুন দশ থেকে পনের মিনিট। ত্বক থেকে তেলভাব দূর করার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনবে এই প্যাকটি।

টমেটো ও মধু

টমেটো ও মধুরও রস একসাথে মিশিয়ে নিয়ে ঘন একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখিয়ে লাগিয়ে রাখুন দশ মিনিট। এই পেস্টটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক উপকারী।

তৈলাক্ত ত্বক হলে নিজেকে একটু সাবধান থেকে ত্বকের পরিচর্যার উপকরণ বাছাই করে নিতে হয় তা ঠিক, কিন্তু তৈলাক্ত মুখের সমাধান নেই এটি বিশ্বাস করা ঠিক নয়। তাই চেষ্টা করুন নিজের ত্বকের সাথে সর্বোচ্চ উপযোগী উপাদানটি বাছাই করে নিতে। এতে তৈলাক্ত ত্বকও হাসবে সারা দিন জুড়ে।