Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার কারণ

পিরিয়ড দেরিতে হওয়ার কারণ


নারীদের জীবনে একটি অবিচ্ছেদ অংশ হল পিরিয়ড। সাধারণত প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট সময় পিরিয়ড হয়ে থাকে। তবে অনেক সময় এটি দেরিতে হতে পারে। এক সপ্তাহ বা তার বেশি দেরি হলে তা চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু মাসিক চক্রের ২১ দিন আগে এটি হলে অথবা ৩৫ দিনের পরে হলে হলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিবাহিত নারীরা ভয় পেয়ে যান, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ করে ফেলেছেন কিনা এই ভেবে। তবে গর্ভধারণ ছাড়াও আরোও কিছু কারণে পিরিয়ডে দেরি হতে পারে। জেনে নিন এমন কিছু কারণে যার জন্য এ দেরিতে হতে পারে।



১। স্ট্রেস

হঠাৎ করে মানসিক চাপ সৃষ্টি হলে এটি দেরিতে হতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ হাইপোথ্যালামিক অ্যামেনোরিয়া কারণ হয়ে। এতে হরমোনের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া বাঁধাপ্রাপ্ত হয়, যা পিরিয়ড বিলম্ব করে। ব্রেকআপ, পরীক্ষায় অকৃতকার্য, মানসিক অশান্তি ইত্যাদি স্ট্রেসের বিভিন্ন কারণ।

২। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) একটি হরমোনাল সমস্যা। এটি ওভারিনের উপর সিস্ট তৈরি করে যা নিয়মিত মাসিক বাঁধাগ্রস্ত করে। আবার অনেক সময় পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের কারণে নারীদের মুখে এবং স্তনের চারিদিকে লোমের আধিক্য বেড়ে যেতে পারে। এই সমস্যায় যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

৩। থাইরয়েড সমস্যা

আমাদের গলার নিচে থাইরয়েড গ্রন্থি অবস্থান করে যা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। যদি কোন রকম থাইরয়েড গ্রন্থিতে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় যেমন স্বাভাবিকের চাইতে বেশি কিংবা কম থাইরয়েড হরমোন নিঃসৃত হলে শরীরের সম্পূর্ণ কার্যপ্রক্রিয়ায় তার প্রভাব পড়ে এবং এক্ষেত্রে পিরিয়ডে বিলম্ব হতে পারে।

৪। নিয়মিতি রুটিনে পরিবর্তন হলে

আপনার জীবনযাত্রায় কি কোন পরিবর্তন এসেছে? প্রতিদিনের রুটিনে পরিবর্তন এলে শরীরের হরমোনগুলো একটু দ্বিধার মধ্যে পড়ে যায়। তখন শরীরের কার্যপ্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়ার কারণে পিরিয়ডে দেরি হয়।

৫। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

কিছু কিছু ওষুধ আছে যার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্ট্রেস, উদ্বেগ, মুড ডিজঅর্ডার, অনিদ্রার সাথে পিরিয়ডে প্রভাব ফেলে থাকে।

৬। ওজন

ওজন মস্তিষ্কের hypothalamus গ্রন্থি যা মাসিকের চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত ওজন হ্রাস এই গ্রন্থির উপর প্রভাব ফেলে। হঠাৎ অতিরিক্ত ওজন হ্রাস অথবা লো ক্যালরির খাবার গ্রহণ শরীরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাঁধাগ্রস্ত করে। যা পিরিয়ড দেরি করতে পারে। আবার অতিরিক্ত ব্যায়ামের কারণেও এটি বিলম্বিত হতে পারে।
নিয়মিত আমলকি খাওয়ার ৭ কারণ

নিয়মিত আমলকি খাওয়ার ৭ কারণ

ছোট সবুজ রঙের ফল আমলকি। টক স্বাদ হওয়ার কারণে অনেকেই আমলকি খেতে চান না। বিশেষত বাচ্চারা এই ফলটি খেতে একদম পছন্দ করে না। অথচ এই আমলকিতে রয়েছে নানা পুষ্টি গুণ। চুল পড়া রোধ করা থেকে শুরু করে সর্দি কাশি সারিয়ে তুলতে এটি খুবই উপকারী।






আমলকিতে রয়েছে পেয়ারা এবং লেবুর তুলনায় ১০ গুণ বেশি ভিটামিনি সি। কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকির স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। চোখের যত্নে

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা সবাই জানি। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে। এক গ্লাস আমলকির রসের সাথে মধু মিশিয়ে পান করুন। এটি চোখের জ্যোতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

২। গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে

দুই টেবিল চামচ আমলকির গুঁড়ো এবং দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে ৩-৪ বার খান। এই মিশ্রণ গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে বেশ কার্যকর।

৩। হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে

উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। আমলকি খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে। এবং ধমনীর ব্লক খুলে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত এটি  খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে।

৪। ব্লাড সুগার কমাতে

গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমলকিতে থাকা পলিফেনল রক্তে অক্সিডেটিভ শর্করা থেকে শরীর রক্ষা করে। এটি শরীরে ইনসুলিন শুষে নিতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

৫। চর্বি হ্রাস করতে

আমলকি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের প্রোটিনের স্তর বৃদ্ধি করে, যা দেহের চর্বি কাটতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিন আমলকি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৬। হাড় মজবুত করতে

আমলকিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি osteoclasts কমিয়ে দেয় যা হাড় ভাঙ্গার কারণ তৈরি করে।

৭। রক্ত পরিষ্কার করতে

রক্ত পরিষ্কার করতে এটি বেশ কার্যকর। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান শরীর থেকে টক্সিন উপাদান সব দূর করে দেয়। নিয়মিত খাওয়ার ফলে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে।